গ্রামীণফোনের স্টোরে বাংলা কিউআরে পেমেন্ট চালু, প্রথম টেলিকম অপারেটর হিসেবে
এমটিবির সঙ্গে অংশীদারত্বে নিজেদের রিটেইল স্টোরে বাংলা কিউআর পেমেন্ট চালু করেছে গ্রামীণফোন; শুরুতে গুলশান, বসুন্ধরা ও চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে।
নিজেদের ব্র্যান্ডেড রিটেইল স্টোরে বাংলা কিউআর দিয়ে অর্থ পরিশোধের সুবিধা চালু করেছে গ্রামীণফোন। মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের (এমটিবি) সঙ্গে অংশীদারত্বে চালু হওয়া এই সেবার মাধ্যমে দেশের টেলিকম অপারেটরদের মধ্যে গ্রামীণফোনই প্রথম এমন উদ্যোগ নিল বলে বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর ডটকমের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানে গ্রামীণফোন এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারে সেবাটির উদ্বোধন হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান এবং এমটিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।
যেভাবে কাজ করবে
এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারে রাখা বাংলা কিউআর কোড যেকোনো ব্যাংক, মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) বা পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারের অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করে গ্রাহক সরাসরি নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে দাম মেটাতে পারবেন। বাংলা কিউআর জাতীয় মানের কোড হওয়ায় একটি মার্চেন্ট কোডেই সব অ্যাপ থেকে পেমেন্ট নেওয়া যায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘এক দেশ, এক কিউআর’ উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় এই সেবা চালু হয়েছে।
শুরুতে ঢাকার গুলশান ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা এবং চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ের এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারে সুবিধাটি মিলবে।
কে কী বললেন
ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান বলেন, সংযোগ ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির বড় চালিকাশক্তি। ক্যাশলেস অর্থনীতি এগিয়ে নিতে খাতের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোও এমন উদ্যোগে যুক্ত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ইয়াসির আজমানের ভাষ্য, গ্রাহকদের এখন নগদ টাকা বা ভাঙতির ঝামেলা ছাড়াই ফোনে স্ক্যান করে বিল দিতে পারবেন, যা ডিজিটাল পেমেন্টকে দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করতে সহায়তা করবে। এমটিবির সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ব্যাংকের পেমেন্ট অভিজ্ঞতা ও গ্রামীণফোনের রিটেইল নেটওয়ার্ক মিলিয়ে স্ক্যান-টু-পে সুবিধা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো যাবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দৈনিক এক কোটি ডিজিটাল লেনদেনের যে লক্ষ্য বাংলাদেশ ব্যাংক ঠিক করেছে, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে।