ভাঁজযোগ্য আইফোন ডুও দিয়ে আয় বাড়াতে চায় অ্যাপল
প্রথম ভাঁজযোগ্য আইফোনের দাম শুরু ১ হাজার ৯৯৯ ডলার থেকে। প্রি-অর্ডারের দিনই ফুরিয়েছে প্রাথমিক সরবরাহের বড় অংশ। বিক্রি কম হলেও উচ্চমূল্যে আয় বাড়ার আশা অ্যাপলের।
প্রথমবারের মতো ভাঁজযোগ্য আইফোন বাজারে এনেছে অ্যাপল। ‘আইফোন ডুও’ নামের ফোনটির দাম শুরু ১ হাজার ৯৯৯ মার্কিন ডলার থেকে; ২ টেরাবাইট স্টোরেজের সর্বোচ্চ সংস্করণের দাম ৩ হাজার ১৯৯ ডলার। প্রি-অর্ডার শুরুর দিনই প্রাথমিক সরবরাহের বড় অংশ বিক্রি হয়ে গেছে।
কেন এত গুরুত্বপূর্ণ ডুও
বিশ্লেষকদের মতে, ডুও দিয়ে উচ্চমূল্যের স্মার্টফোনের বাজারে অবস্থান আরও শক্ত করতে চায় অ্যাপল। ফোনটি প্রতিষ্ঠানটির গড় বিক্রয়মূল্য বাড়াবে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইডিসির পূর্বাভাস, ২০২৬ সালে অ্যাপল প্রায় ৭০ লাখ আইফোন ডুও সরবরাহ করতে পারে, যা মোট আইফোন সরবরাহের প্রায় ৩ শতাংশ। আগামী বছর সরবরাহ ৭০ শতাংশ বাড়লে ভাঁজযোগ্য ফোনের বিশ্ববাজারের প্রায় ৪০ শতাংশ অ্যাপলের দখলে যেতে পারে।
চাহিদা ছাড়াতে পারে সরবরাহ
কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের হিসাবে শুরুতে বাজারে ৬০ লাখ বা তার কম ইউনিট আসতে পারে। অ্যাপলের প্রায় ১৪০ কোটি আইফোন ব্যবহারকারীর সামান্য অংশও আগ্রহী হলে চাহিদা সরবরাহকে ছাড়িয়ে যাবে।
ধারণা করা হচ্ছে, ডুওর বেশির ভাগ ক্রেতা হবেন বর্তমান আইফোন ব্যবহারকারী। কেউ প্রো ম্যাক্সের বদলে ডুও নেবেন, কেউ এটিকে দ্বিতীয় ফোন হিসেবে ব্যবহার করবেন। ফলে বিক্রির সংখ্যা কম হলেও উচ্চমূল্যের কারণে আয় বাড়বে। জেপি মরগ্যান ও ডি এ ডেভিডসনের বিশ্লেষকেরাও মনে করেন, অ্যাপলের আয়ের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে ডুওর সাফল্য গুরুত্বপূর্ণ।
ঝুঁকিও আছে
বেশি দামের কারণে অনেক ক্রেতা নতুন ফোন কেনা পিছিয়ে দিতে পারেন, এতে ফোন বদলের চক্র লম্বা হয়ে সামগ্রিক চাহিদা কমতে পারে। তাই ডুওর দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য নির্ভর করবে ক্রেতাদের সাড়া আর বাজারের প্রবৃদ্ধির ওপর।