এআই বিজনেস সামিটে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ, ১৪০টির বেশি প্রদর্শক
ডিসিসিআই ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ‘বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬’-এ ১৫ হাজারের বেশি মানুষ এসেছিলেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকদের একজন মীর শাহরুখ ইসলাম।
আমাদের প্রতিবেদক
শেষ হলো ‘বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬’। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সামিটে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ এসেছিলেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকদের একজন, মীর শাহরুখ ইসলাম। ৫ নভেম্বর নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি সামিটের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।

সামিটের কিছু পরিসংখ্যান
শাহরুখের পোস্ট অনুযায়ী, সামিটে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি। এ ছাড়া তিনি যে হিসাব দিয়েছেন:
- সামিটে এসেছেন ১৫ হাজারের বেশি মানুষ
- দেশি-বিদেশি প্রদর্শক ১৪০টির বেশি
- নিবন্ধিত দর্শনার্থী ১০ হাজারের বেশি
- ব্যবসায়ী, সিএক্সও ও পরিচালক মিলিয়ে ২ হাজারের বেশি
শিক্ষার্থী, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, শিক্ষাবিদ ও নীতিনির্ধারকেরা এক জায়গায় বসে বাংলাদেশে এআই কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
‘এআই আর দূরের ভবিষ্যৎ নয়’
পোস্টে শাহরুখ লেখেন, তাঁর মতে এআই বাংলাদেশের জন্য আর দূরের ভবিষ্যৎ নয়; কারখানা, কৃষি, ব্যাংক, হাসপাতাল ও ছোট ব্যবসার কাজের ধরন এরই মধ্যে বদলাতে শুরু করেছে। তাঁর প্রশ্ন, বাংলাদেশ কি শুধু বাইরের তৈরি এআই ব্যবহার করবে, নাকি নিজেরা তৈরি করে, গ্রহণ করে নেতৃত্ব দেবে? এই আলোচনাটাই সামিটের মাধ্যমে শুরু করতে চেয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
সরকার, শিল্প ও শিক্ষাখাতকে একই প্ল্যাটফর্মে আনার জন্য তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান। তাঁর মতে, এআই অর্থনীতিতে নীতি আর ব্যবসাকে একসঙ্গে এগোতে হবে।
সামিটের সহ-আহ্বায়ক হিসেবে ওয়ায়েজ হোসেন ও রবিন রহমানের ভূমিকার কথাও পোস্টে উল্লেখ করেন শাহরুখ। পাশাপাশি ডিসিসিআইয়ের সভাপতি ও নেতৃত্ব, ডিজিটাল ইকোনমি অ্যান্ড আইটি স্ট্যান্ডিং কমিটি, ডিসিসিআই সচিবালয়, পার্টনার, প্রদর্শক ও বক্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।











মন্তব্য