Skip to content
বিজ্ঞাপন
adminadmin

‘যখন আমাকে ছাড়াই চলবে, সেটাই ব্যবসার সাফল্য’: নেতৃত্ব নিয়ে কিউটেকের প্রধান নির্বাহী

সাত বছরের ব্যবসার অভিজ্ঞতা থেকে নেতৃত্ব নিয়ে লেখার প্রথম পর্বে দলকে দায়িত্ব, সুযোগ ও সম্পদ দেওয়ার কথা বলেছেন কিউটেক সলিউশনের প্রধান নির্বাহী মোশাররফ হোসেন।

নেতৃত্ব নিয়ে কিউটেকের প্রধান নির্বাহীর পর্যবেক্ষণ
ছবি: মোশাররফ হোসেনের ফেসবুক পোস্ট থেকে / আইটিবাংলা গ্রাফিক্স

নেতৃত্ব মানে সব সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়া নয়, বরং দলের সদস্যদের দায়িত্ব ও সুযোগ দেওয়া। এমন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান কিউটেক সলিউশন লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মোশাররফ হোসেন। ৩ নভেম্বর রাতে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সাত বছরের ব্যবসার অভিজ্ঞতা থেকে নেতৃত্ব নিয়ে লেখার প্রথম পর্ব প্রকাশ করেন।

একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন মোশাররফ হোসেন
ছবি: মোশাররফ হোসেনের ফেসবুক পোস্ট থেকে

প্রতিষ্ঠান কতদূর যাবে, তা কি একজনের বুদ্ধিতে বাঁধা

পোস্টে মোশাররফ হোসেন লেখেন, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের (সিএসই) পটভূমি থেকে এসে ব্যবসা গড়া ও চালানোর বিষয়গুলো বুঝতে তাঁর সময় লেগেছে। তাঁর মতে, দেশের বেশির ভাগ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানপ্রধানই সবচেয়ে বুদ্ধিমান ব্যক্তি। এতে সমস্যা না থাকলেও একজনের বুদ্ধির সীমা আছে, আর প্রতিষ্ঠান ততটুকুই এগোয় যতটুকু সেই সীমা অনুমতি দেয়।

তিনি মনে করেন, প্রতিষ্ঠানপ্রধানের অধীন কর্মীরাও কম বুদ্ধিমান নন, সমস্যা হলো তাঁদের সঠিকভাবে পরিচালনা করা হয় না। নেতৃত্বের ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি লেখেন, কাউকে নিয়োগ দেওয়ার পর তাঁর কাছ থেকেই জানতে চাওয়া উচিত কী করতে হবে। তাঁর ভাষায়, স্টিভ জবসও এমন কথা বলেছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সাফল্যের মাপকাঠি

মোশাররফ হোসেনের কাছে নিজের ব্যবসার সাফল্য হলো, যখন সেটি তাঁকে ছাড়াই চলবে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে আগে নিজের চেয়ার ছেড়ে সরে দাঁড়াতে হবে, না হলে অন্য কেউ দায়িত্ব নিতে পারবেন না বলে তিনি মনে করেন। তবে এ বিষয়ে অন্যদের ভিন্নমত থাকতে পারে, সেটিও তিনি পোস্টে উল্লেখ করেছেন।

তিনি লেখেন, ন্যূনতম পর্যায়ে চালু একটি ব্যবসাতেও বিক্রয়, বিপণন, আইন, হিসাব, পরিচালনা ও মানবসম্পদের মতো কয়েকটি বিভাগ লাগে, আর প্রতিষ্ঠানপ্রধানের সব কাজে সেরা হওয়ার কথা নয়।

দায়িত্ব দিলে জায়গাও দিতে হবে

তাঁর মতে, নেতৃত্ব মানে ক্ষমতা দেওয়াও। কাউকে দলনেতা বানিয়ে তাঁর প্রতিটি কাজ ঠিক করে দিলে তাঁর নিজের মতো কাজ করার সুযোগ খুব কমে যায়। তাই দায়িত্বের পাশাপাশি তাঁকে কাজের পরিসর ও প্রয়োজনীয় সম্পদ দিতে হবে। আর নেতাদের নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে কে কোন কাজে দক্ষ, কে কোথায় সবচেয়ে ভালো করেন, এবং সেই অনুযায়ী তাঁকে দায়িত্ব দিতে হবে।

পোস্টের শেষে তিনি জানিয়েছেন, লেখাটি ধারাবাহিক আকারে চলবে।

মোশাররফ হোসেনের ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট ও বেসিসের সদস্য তালিকা অনুযায়ী, তিনি ২০১৯ সালের শেষ দিকে কিউটেক সলিউশন লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটি কাস্টম সফটওয়্যার, মোবাইল ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরির কাজ করে।

বিজ্ঞাপন

Comments

Read also