বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬: পুরস্কার পেল ৪৪ উদ্ভাবন
৩৫৫টি প্রকল্পের মধ্য থেকে ৯টি চ্যাম্পিয়ন, ১০টি উইনার ও ২৫টি মেরিট পুরস্কার পেয়েছে। চ্যাম্পিয়ন ও উইনার প্রকল্পগুলো অ্যাপিকটা অ্যাওয়ার্ডসে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের জন্য মনোনীত হবে।
দেশের ৩৫৫টি প্রকল্পের মধ্য থেকে ৪৪টি তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী প্রকল্পকে পুরস্কৃত করেছে বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্ক (বিন)। ‘বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এ ৯টি প্রকল্প চ্যাম্পিয়ন, ১০টি উইনার এবং ২৫টি মেরিট পুরস্কার পেয়েছে।
‘উদ্ভাবনকে স্বীকৃতি, রূপান্তরকে অনুপ্রেরণা’ প্রতিপাদ্যে ঢাকার ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি মিলনায়তনে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট, সনদ ও উপহার ভাউচার তুলে দেওয়া হয়।
যেভাবে বাছাই
প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী এবং ব্যক্তিগত বা দলীয়—তিন শ্রেণিতে জমা পড়া ৩৫৫টি প্রকল্প থেকে প্রাথমিক যাচাই শেষে ১১৮টি চূড়ান্ত মূল্যায়নে যায়। সরকার, ব্যাংক ও করপোরেট খাতের নির্বাহী, শিক্ষাবিদ, চেম্বার প্রতিনিধি, স্টার্টআপ বিশেষজ্ঞ ও প্রযুক্তি সাংবাদিকদের নিয়ে গঠিত ৪০ সদস্যের বিচারক প্যানেল উদ্ভাবনের স্বকীয়তা, জনসাধারণের উপযোগিতা, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা ও প্রযুক্তির মান—এই চার মানদণ্ডে ডিজিটাল পোর্টালের মাধ্যমে প্রকল্পগুলো মূল্যায়ন করে।
চ্যাম্পিয়ন ৯ প্রকল্প
- প্রতিষ্ঠান শ্রেণি: সক্রিয় টেকনোলজিসের ‘সক্রিয় ডিএমএস’, টেটনের ‘মাই ইসিজিএআই’ এবং গ্রামীণ হেলথটেকের ‘দ্য সুখী ওয়ে’।
- শিক্ষার্থী শ্রেণি: বুয়েটের ‘এজেন্টআইএএম’, ইউল্যাবের ‘ক্রনিক’, চুয়েটের ‘সিঙ্ক ভি-১: ব্রেইল এমবসার’, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আরবর’ এবং বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের ‘ব্রেইলব্রিজ’।
- ব্যক্তিগত বা দলীয় শ্রেণি: ‘বিন্দো’।
চ্যাম্পিয়ন ও উইনার প্রকল্পগুলো এশিয়া প্যাসিফিক আইসিটি অ্যালায়েন্স (অ্যাপিকটা) অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের জন্য মনোনীত হবে।
সাত লাখ টাকার প্রিন্টার মাত্র ২৮ হাজারে
চ্যাম্পিয়ন প্রকল্প ‘সিঙ্ক ভি-১: ব্রেইল এমবসার’-এর দলনেতা সৌরভ তরফদার জানান, প্রচলিত ব্রেইল প্রিন্টারের দাম প্রায় সাত লাখ টাকা, যা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের নাগালের বাইরে। তাঁদের দল প্রায় ২৮ হাজার টাকায় একটি ব্রেইল প্রিন্টার তৈরি করেছে। পর্যাপ্ত অর্থায়ন পেলে এটি বড় পরিসরে উৎপাদন সম্ভব।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রতিবছর প্রায় সাত লাখ শিক্ষার্থী স্নাতক শেষ করছেন; এই তরুণদের উদ্ভাবনী ধারণা বাস্তবে রূপ দেওয়ার সুযোগ বাড়াতে হবে। বিনের চেয়ারম্যান সৈয়দ আলমাস কবীর উদ্ভাবন সুরক্ষার নীতিমালা, গবেষণায় অর্থায়ন বৃদ্ধি এবং বেসরকারি খাতকে গবেষণায় বিনিয়োগে উৎসাহিত করার ওপর জোর দেন।











মন্তব্য